Skip to main content

কামিনী রায়

  পুরো শহরটা নিয়নের বাতির আলোয় মিটিমিটি করছে। রাত গভীর হলে বাতিগুলোকে দুর থেকে জোনাকি পোকার মতো মনে হবে। একা দাড়িয়ে আছি। কালচে অন্ধকারে শরীর টা হালকা দেখা যাচ্ছে। বাতাস বইছে। বাতাসটা অনেকটা শীতল মনে হচ্ছে। তবে হীম শীতল না। বৃষ্টি ভেজা নিমপাতা গুলো ঝিরি ঝিরি শব্দে নড়ে চলেছে। আকাশটাকে খুব কাছে মনে হচ্ছে। ইচ্ছে করছে তারাগুলো কে ছুয়ে দেখতে। জানি চাওয়া টা ভুল, এমনকি আমি নিজেও ভুল পথের যাত্রী।

কামিনী রায়ের কবিতাটা আজ খুব মনে পড়ছে।
যাহা চাই, তাহা ভুল করে চাই

Comments

Popular posts from this blog

অপেক্ষা করুন, হিসাব মিলবেই !

একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে, বিষন্নতার রং কেমন হয়? এই বৃত্তকার পৃথিবীতে আপনি ঠিক যা করবেন তা একদিন ঘুরেফিরে আপনার কাছেই চলে আসবে আসতে বাধ্য প্রকৃতির হিসাব একদম আলাদা প্রকৃতি কাউকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেয় না। আপনি সবকিছু থেকে মাফ পেলেও প্রকৃতির কাছ থেকে মাফ পাওয়ার কোন রাস্তা নাই সবার হাত থেকে ছাড়া পেলেও প্রকৃতির হাতে আপনি বন্দী, যখন তখন ধরে ফেলতে পারে !! কারণ পৃথিবীতে ঠকানো বা ঠকে যাওয়ার ফল কখনো অনিশ্চিত হিসাব হয়না...!!" বিষন্নতার রং চিনতে পারলে বুঝতে পারতো।   

ওখানেও থাকবো না

  পৃথিবীর এলেমেলো সব হিসেব-নিকেশ মাথায় জট পাঁকিয়ে মাঝরাতে হঠাৎ করেই রাস্তার মধ্যখান দিয়েন হাঁটা শুরু.সকাল হতেই লাশের পাশে খুঁজে পাওয়া বদ্ধ খামটায় থাকা চিরকুটে শুধু একটা লাইনই লিখা ছিল - "আমি এখানেও ভালো নেই, ওখানেও থাকবো না..."

মৃত্যু অথবা মুক্তি

 আত্মহত্যা মহাপাপ। সেটা জেনেও মানুষ আত্মহত্যা করে। কারন সে বাঁচতে চায়। তার কাছে এই পাপিষ্ট মৃত্যুর চেয়ে বেঁচে থাকাটা বেশি অসহনীয়। খুঁজে দেখো, কতটা কষ্ট আর অশ্রু জড়িয়ে আছে একটা আত্মহত্যার পিছনে। শিউরে উঠতে বাধ্য হবে। তবে, স্মৃতিহত্যা সম্ভব হলে কমে যেত আত্মহত্যা।